খিদের জ্বালা মেটাতে বিশালাকার গরুর স্তন্যপান করতে গেল খুদে ছাগলছানা, রইলো ভিডিও

পৃথিবীতে মায়ের ভালোবাসা অ’তুলনীয়, এটা সবার জানা। জীবনের প্রথম আশ্রয়স্থল মায়ের কোলেই। মা তার সন্তানের মুখ দেখেই

দীর্ঘ দশ মাস দশ দিনের কথা ভুলে যান। ভুলে যান প্রসব য’ন্ত্র’ণা। তখন মায়ের যে কি সুখ অনুভূত হয় সেটা একজন মা-ই ভালো জানেন। তখন সন্তানই হয়ে যায় মায়ের একমাত্র পৃথিবী। মা তার সন্তানের

খেয়াল রাখতে গিয়ে নিজের কথাই ভুলে যান। মায়ের কোন জাতি ধ’র্ম হয় না, ধ’র্ম বর্ণ নির্বিশেষে মা একই হয়। মা মানেই মমতা। মা মানেই, যাঁর আঁচলের ছায়ায় শীতলতার স্প’র্শ। মায়ের ভালোবাসা

সকলের থেকে আলাদা। নিজের প্রা’ণ দিয়ে হলেও সন্তানকে রক্ষা করতে বিন্দুমাত্র ভাবেন না একজন মা। সারা জীবন সন্তানকে বুক দিয়ে আগলে রাখেন তিনি। পশুদের ক্ষেত্রেও ঠিক একই রকমভাবে

মায়ের সঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। সন্তানের সুখেই মায়ের সুখ আর সন্তানের দুঃখেই মায়ের দুঃখ। মা তার সন্তানকে নিয়ে অজস্র স্বপ্ন দেখেন। সন্তানের জন্য গড়ে তুলেন সীমাহীন ভালোবাসার পাহাড়। সেই ভালোবাসা দিয়েই

মা তার সন্তানকে সারাজীবন আগলে রাখতে চান। অনেক সময় দেখা যায় যে, সন্তান জন্ম দেওয়ার কালে মা এবং শি’শুর মধ্যে যে কোন একজনকে বাঁ’চানো সম্ভব।এই মা তখন নিজের পরিবর্তে নিজের শি’শুকে এই পৃথিবীর আলো দেখানোর জন্য অনুরোধ করেন ডাক্তারদের।

পশুদের মধ্যেও মাতৃ সত্তা রয়েছে। তারাও সন্তানের জন্ম দেয়। যতদিন না সন্তান বড় হচ্ছে, ততদিন লালন-পালন করে। তারও একই রকমভাবে সন্তানের খেয়াল রাখে। শুধু ধরনটা কিছুটা আলাদা। তারা এমনিতেই অবলা প্রা’ণী। সেই কারণেই নিজেদের দুঃখ ক’ষ্ট হোক আনন্দের যেকোনো কিছু, সকলকে বলতে পারেনা।

কিন্তু মা আর সন্তানের মধ্যে এমনই এক যোগসুত্র থাকে, যা সবটাই বুঝিয়ে দেয়। বিশাল আকার গরুর স্তন্যপান করছে এক ছোট্ট ছাগলছানা। এবার ইউটিউবে এমন একটা ভিডিও ভাই’রাল হলো। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, বাড়ির উঠোনে একটি সাদা রঙ্গের বিশালাকৃতি গরু বেঁধে রাখা আছে।

কিন্তু হঠাৎ করেই কোথা থেকে একটা ছাগল ছানা এসে গরুর স্তন্যপান করতে শুরু করলো। এরকম দৃশ্য মাঝে মাঝেই চোখে পড়ে।ইউটিউবে রীতিমতো ভাই’রাল হয়ে গিয়েছে ভিডিওটি। এরকম একটি অসাধারণ ঘটনা ক্যামেরাব’ন্দি করতে ভুলে যাননি বাড়ির মালিক।মুঠো ফোনের ক্যামেরা এই ভিডিওটি ব’ন্দি করে পোস্ট করেছেন ইউটিউবে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*