শ্বশুর-শাশুড়ির যত্ন নেওয়ায় পুত্রবধূকে সম্মাননা

সিরাজগঞ্জে’র তাড়াশে বৃ’দ্ধ শ্বশুর-শাশুড়ির যত্ন নেওয়ায় এক পুত্রবধূকে

সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। শি’শু-কিশোরদের সমন্বয়ে গড়ে উঠা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘মানবতার সঙ্গী তাড়াশ’ এর পক্ষ থেকে ওই গৃহবধূকে

সম্মাননা দেওয়া হয়।সম্মাননা প্রাপ্ত গৃহবধূ রেহানা খাতুন উপজে’লার পৌর এলাকার পূর্বপাড়ার সাইদার ফকিরের স্ত্রী। শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায়

তার হাতে সম্মাননা স্বারক তুলে দেন তাড়াশ থা’নার ওসি মো. ফজলে আশিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন-

‘মানবতার সঙ্গী তাড়াশ’ এর সদস্য হিমেল, শুভ, মাসুদ রানা, ফারুক, মুগ্ধ, সায়েম, মুন্না, আমিন ও রাকিব প্রমূখ।তারা বলেন,

পিতা-মাতার সেবার মূল্য কখনো সম্মাননা স্বারক দিয়ে পূরণ করা সম্ভব না। আম’রা চেষ্টা করছি মানুষকে বৃ’দ্ধ বয়সে বাবা-মা বা শ্বশুর-শাশুড়ির পাশে থেকে

সেবা ক’রতে উৎসাহিত ক’রতে। এর জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা।তারা আরো জা’নান, গৃহবধূ রেহানা খাতুন দীর্ঘদিন ধ’রে তার বৃ’দ্ধ শ্বশুর সাদেক আলী (ছাদু ফকির) ও

শাশুড়ি তছিরন বেগমকে সেবা যত্ন করে আ’সছেন। সামাজিক মূল্যবোধ জাগরণ ও ভালো কাজে’র স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন=প্রশা’সনের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের শী’র্ষ কমিটি সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি)। শী’র্ষ এ কমিটি বিসিএস ক্যাডার ক’র্মকর্তাদের ব্যাচ ভে’ঙে পদোন্নতি, নির্দিষ্ট সময়ে পদোন্নতি না দেওয়া, ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদ সৃষ্টি ও বিলুপ্তি, এক দিন চাকরি থাকলেও সচিব পদে পদোন্নতি, আবার পদোন্নতির সময় যে ক’র্মকর্তা কমপক্ষে দুই বছর

সচিব পদে চাকরি ক’রতে পারবেন তাদেরই পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধা’ন্তসহ অসংখ্য অলিখিত নিয়মের কারণে জটিলতা বাড়ছে প্রশা’সনে। এতে ক্ষু’ব্ধ হচ্ছেন প্রশা’সনের ক’র্মকর্তারা। মনগড়া নিয়ম বাদ দিয়ে আ’ইন ও বিধি মেনে এসএসবিকে কাজ করার অনুরো’ধ জা’নিয়েছেন তারা। সংশ্নিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জা’না গেছে।

জনপ্রশা’সন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে যার সুবিধামতো সিদ্ধা’ন্ত নিয়ে অন্যের অধিকার হরণ করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। প্রশা’সনের শী’র্ষ এ কমিটিকে সরকারের আ’ইন ও বিধি মেনে কাজ করার প’রামর্শ দিয়েছেন তারা। জনপ্রশা’সন বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশা’সন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রশা’সনিক গতিশীলতা এবং গুড গভর্ন্যান্সের জন্য হ’ঠাৎ অস্থা’য়ী ভিত্তিতে রুল-রেগুলেশনের বাইরে গিয়ে কিছু করা উচিত না। রুল-রেগুলেশন অনুযায়ী চললে প্রশা’সনে

গতিশীলতা এবং যারা প্রশা’সনের মধ্যে কাজ করেন তাদের মধ্যে স্পৃহা, ভবিষ্যতে কাজ করার দক্ষ’তা ও সক্ষ’মতা বৃ’দ্ধি পাবে। এর পরও মাঝেমধ্যে মনে হচ্ছে, কোনো ব্য’ক্তিকে সামনে রেখে এসব অস্থা’য়ী সিদ্ধা’ন্ত নেওয়া হচ্ছে। সেটা একটা সিভিল সার্ভিসের জন্য অদূ’র ভবিষ্যতে সুফল বয়ে আনবে না। সিভিল সার্ভিসে হ’তাশা দেখা দেবে। পুরো প্রশা’সন ব্যব’স্থা ভে’ঙে পড়বে।

এ জন্য সরকারকেই বলিষ্ঠ ভূমিকা নিতে হবে। প্রশা’সনকে গতিশীল ক’রতে গেলে সঠিক রুল-রেগুলেশনের ভিত্তিতে কাজ ক’রতে হবে। অস্থা’য়ী ভিত্তিতে করলে কখনও সুফল আসবে না।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*