জঙ্গলে গাছের এতদম মণি ডগায় বাসা বেধেছে মৌমাছি, দারুন কায়দা করে মধু আহরণ করল দুই যুবক, নেটদুনিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল ভিডিও। দেখুন ভিডিও

মৌমাছি বা মধুমক্ষিকা বা মধুকর () বোলতা এবং পিঁপড়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গবিশেষ।মধু ও

মোম উৎপাদন এবং ফুলের পরাগায়ণের জন্য প্রসিদ্ধ। পৃথিবীতে ৯টি স্বীকৃত গোত্রের অধীনে প্রায় বিশ হাজার মৌমাছি প্রজাতি আছে,যদিও

এর বেশিরভাগেরই কোন বর্ণনা নেই এবং এর প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। আন্টার্কটিকা ব্যতীত পৃথিবীর সকল মহাদেশে যেখানেই

পতঙ্গ-পরাগায়িত সপুষ্পক উদ্ভিদ আছে, সেখানেই মৌমাছি আছে। ভারতে সচরাচর যে মৌমাছি দেখা যায় তার বৈজ্ঞানিক নাম (এপিস ইন্ডিকা) এই অঞ্চলে আরো

তিন প্রজাতির মৌমাছি দেখা যায় যথা ইউরোপীয় মৌমাছি বা (এপিস মেলিফেরা), পাহাড়ি মৌ (এপিস ডরসাটা) ও

ছোটো মৌমাছি বা (এপিস ফ্লোরিয়া)পরিবারের বোলতারা হল মৌমাছির পূর্বপুরুষ, যারা ছিল অন্য পতঙ্গ শিকারী। পতঙ্গ শিকার থেকে পরাগে আসার কারণ সম্ভবত যে পতঙ্গগুলো শিকার করা হত সেগুলো ফুলে ফুলে ঘুরত এবং সেগুলো পুষ্পরেনু দ্বারা আংশিক আচ্ছাদিত থাকত।

সেগুলোই বোলতার লার্ভাকে খাওয়ানো হত। একই রকম বিবর্তন সংঘঠিত হয়েছিল বোলতার ক্ষেত্রে, যেখানে পরাগের বোলতারা এসেছিল তাদের শিকারী পূর্বপুরুষদের থেকে।

ছাপ থেকে পাওয়া নয় এমন ফসিল, এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে নিউ জার্সির এম্বারে , এটি ক্রেটাসিয়াস যুগের ফসিল এবং ফসিলটি হল মৌমাছির।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন…

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*