ফ্যামিলি পেয়ারিং নিয়ে বার্তা দিলেন তাহসান-পূর্ণিমা

সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচিত প্ল্যাটফর্ম ‘টিকটক’। বাংলাদেশের টিকটক কমিউনিটি নিরাপদ, সুরক্ষিত

ও বহুমুখী করার লক্ষ্যে জনপ্রিয় দুই তারকা তাহসান খান ও দিলারা হানিফ পূর্ণিমাকে নিয়ে নতুন প্রোগ্রাম

শুরু করেছে। এর মাধ্যমে টিকটক বেশকিছু সেফটি এবং প্রাইভেসি কন্ট্রোলের সুবিধা নিয়ে সচেতনতা

সৃষ্টি করছে, যাতে ব্যবহারকারী আরও বেশি ব্যক্তিগত তথ্যে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। এক সংবাদ

বিজ্ঞপ্তিতে টিকটকের পক্ষ থেকে জানানো হয়- নিরাপদ, সুরক্ষিত ও বহুমুখী কমিউনিটি তৈরির লক্ষ্যে

টিকটকের নতুন এই কর্মসূচিতে ভিডিও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবেন। এই ক্যাম্পেইনের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে তাহসান ও

পূর্ণিমা ফ্যামিলি পেয়ারিং মোড উন্মোচন করেছেন। প্রোগ্রামটি লাইভ করা হয় টিকটক ফ্যামিলি (#tiktokfamily) নামে। এই ফিচারের মূল লক্ষ্য, সন্তানদের টিকটক অ্যাকাউন্টের ওপর মা-বাবার পর্যবেক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া।

সেই বিজ্ঞপ্তিতে তাহসান খানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আচরণ কেমন হওয়া উচিত, এ নিয়ে টিকটক যে পরিবারের মধ্যে কথোপকথনের সুযোগ করে দিচ্ছে, তা দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। অনলাইন নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আমাদের সবারই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। সে জন্য প্রত্যেকের জায়গা থেকে আমাদের সচেতন হতে হবে। সময়োপযোগী এমন প্রচারণায় আমি নিজে যুক্ত থাকতে পেরে খুব সম্মানিত বোধ করছি।

অন্যদিকে পূর্ণিমা বলেন, আজকের বিশ্বকে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ছাড়া কল্পনা করা যায় না। তেমনটাই আমাদের প্রযুক্তিকেন্দ্রিক শিশু-কিশোরদেরও এসব ছাড়া চলে না। কিন্তু তারা যতই ডিজিটালভাবে শিক্ষিত হোক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক এবং বাবা-মা হিসেবে তাদের সুস্থতার দেখাশোনা করা আমাদের দায়িত্ব। তরুণদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য এমন ক্যাম্পেইনে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।

এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যে নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশাপাশি কিশোর বয়সীদের সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে টিকটক। যেমন- ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্টগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘প্রাইভেট’ মোডে থাকবে। আর ১৬ বা তার বেশি বয়সীদের কাছে সরাসরি বার্তা পাঠানো সীমিত রাখা হয়েছে। অন্যদিক ফ্যামিলি পেয়ারিং সুবিধার মাধ্যমে মা-বাবা তাদের সন্তানদের টিকটকে নজর রাখার ব্যবস্থা করতে পারবেন।

এ ছাড়াও ভিডিও ক্যাম্পেইনে বড় পরিসরে সব বিষয় থাকবে; যার মধ্যে শিক্ষামূলক বিষয়, ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং বা ডিজিটাল সুস্থতা, বিশ্বাস এবং সুরক্ষার মতো ব্যাপারগুলো রয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*